মেনু নির্বাচন করুন

banner1

সৌধ হীরন্ময়ঃ

১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবী হত্যায় নির্মমভাবে নিহত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিগ্রী কলেজের বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক লুৎফুল রহমান (জাহাঙ্গির) ও মৃত্যুঞ্জয়ী অন্য বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে কাউতলীস্থ ত্রিভুজচত্বরে ‘সৌধ হিরন্ময়’ নামে একটি স্মৃতিবেদী নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ২৪ নভেম্বর জেলা প্রশাসক এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। উল্লেখ্য, কাউতলীর গোরস্তানে অধ্যাপকের সমাধির পরিচয় ফলকে  লিপিবদ্ধ রয়েছে তাঁর জন্ম তারিখ ১১ই অক্টোবর, ১৯৩৭ ও মৃত্যু তারিখ ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ এবং নিচের লেখাটি-

‘‘নয়ন সমুখে তুমি নাই

নয়নের মাঝখানে নিয়েছ যে ঠাঁই।’’

                                                    

 

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল সমাধীঃ

 

১৪ সেপ্টেম্বর রাতে পাকবাহিনীর এক কোম্পানী সৈনিক রেলযোগে আখাউড়া থেকে মুকুন্দপুর হয়ে হরষপুরের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন। এ সংবাদ জানতে পেরে কমান্ডার লেফটেন্যান্ট হেলাল মুর্শেদ ও কয়েকজন সঙ্গীসহ মুকুন্দপুর ও হরষপুরের মাঝামাঝি রেললাইনে ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন বসিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। রাত প্রায় ৪ টার দিকে পাকবাহিনী বোঝাই রেলগাড়িটি মাইনের আওতায় এসে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে ইঞ্জিনসহ রেলগাড়ির কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে খাদে পড়ে যায় এবং এ ঘটনায় পাকবাহিনীর ২৭ জন সৈন্য নিহত হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল আখাউড়ার দরুইন যুদ্ধে শহীদ হন। বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি আখাউড়া উপজেলার মোগড়া নামক স্থানে অবস্থিত।

 

ফারুকী পার্কের স্মৃতিস্তম্ভঃ

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দক্ষিণাংশে ফারুক পার্কে গঠন শৌকর্যে অতি মনোরম একটি শহীদ স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরেই বাংলাদেশে দ্বিতীয় উল্লেখযোগ্য স্মৃতিসৌধ এটা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ও মুক্তিযোদ্ধাদে স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় চার লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্ত্তর স্থাপন করেন কুমিল্লার পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ও উপ-অঞ্চর উপ-আঞ্চলিক সামরিক আইন প্রশাসক বিগ্রেডিয়ার আ ম সা আমিন পি এস পি ১৯৮৪ সালের ১৯শে মে। ১৯৮৫ সালের ২৯শে এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ও চীফ মার্শাল ল’ এডমিনিস্ট্রেটর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এনডিসি, পিএসসি এটা উদ্ধোধন করেন।